---ঠাসসসসস,,,,
.
আজকেউ ফারহান রাগটাকে কন্ট্রোল করতে না পেরে ঠাসসসসস করে চড়টা লাগিয়ে দিল নিশাতকে।
তারপর বলতে লাগলো,
---নিজেকে কি মনে কর? এগিয়ে এসে কথা বলছি বলে, আমি বখাটে, আমি খারাপ, আমার মা-বাবা আমাকে এসব শিক্ষা দিয়েছে? একটা কথা মনে রাখবেন! কোন মা-বাবা তার সন্তানকে এসব শিক্ষা দেয় না। আর, পৃথিবীতে সব মা-বাবা চাই নিজের সন্তান ভালো হোক। সবাই যেন এক বাক্যে বলতে পাড়ে *অমকের* ছেলেটা খুব ভালো। আদব, কায়দা , সম্মান দিতে জানে সবাইকে। কোন মা-বাবা তার ছেলেকে বলে না মেয়েদের ইভটিজিং কর, ধর্ষণ কর, একজন ক্রিমিনাল হও, একজন সন্ত্রাস হও। কোন মা-বাবা তার সন্তানদের কে এসব বলে না। বরং, বিভিন্ন লোকের সাথে মেলামেশা করে কেউ বখাটে, সন্ত্রাসী, ধর্ষণ কারি হয়। আর প্রতিটা সন্তানের নিজের কর্মের জন্য মা-বাবার নাম হয়। কেনো মা-বাবার নাম বলেন আপনারা? আপনিও তো একজন মা-বাবার সন্তান। আপনাকে কি আপনার মা-বাবা এসব শিক্ষা দিয়েছে? Impossible, I Am Right... কখন কোন মা-বাবা তার সন্তানকে এসব কুকর্ম শিক্ষা দেয় না। আর এটা ভালো করে শুনে রাখুন, আমার মা-বাবা আমাকে একজন পরিপুর্ন শিক্ষা দিয়েছে সবার সাথে ও কিভাবে কার সাথে কি ব্যবহার করতে হবে। (রেগে)
.
থেমে যাই ফারহান কথাগুলি বলে। চোখে অশ্রু জমে গেছে। কারণ, ফারহানের মা-বাবা তাকে কখন এমন শিক্ষা দেই নাই যেটা মানুষের কাছে, কিংবা সমাজের কাছে ছোট হতে হয়।
নিশাত একভাবে নিচের দিকে তাকিয়ে কথাগুলি শুনে যাচ্ছে আর চোখের অশ্রু মুঁছে যাচ্ছে। কখন ফারহানের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারেনা। সেই প্রথম দিন থেকে কথা বলতে গিয়ে দেখেছে। ছেলেটার চোখে কি যেনো একটা আছে? সেটা দেখতে চায় না নিশাত।
নিশাতের চোখ মুঁছতে দেখে আবার বললো,
---আমি আপনাকে,,,,
.
কথাটা শেষ না হতে নিশাত দৌড়ে চলে এলো।
ফারহান ডাক দিল,
---এই নিশাতএক মিনিট দাঁড়াও প্লিজ,,,আমার কথাটা শুনে যাও ,,,
.
শিট,, এলাম ক্ষমা চাইতে আর ঘটে গেলো কি,,,
আমি আর কখন তার সামনে কখনও আসবো না। না হলে আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি না। কিভাবে কি ঘটে যায়। আমি নিজে জানি না। কি এমন আছে যা, মেয়েটাকে সহ্য করতে পারিনা। আমি পাগল হয়ে যাব। আমি আর পারছিনা,,,
.
নিশাত বাসায় এসে শুয়ে শুয়ে মনে মনে ভাবতে থাকে "আমি আর এই শহরে থাকবো না। চলে যাব অন্য কোথাও। এখানে থাকলে আমি মরে যাব, প্রতিদিন এই ছেলেটার দেওয়া কষ্টে। আমি কি করেছি ছেলেটার সাথে? সে প্রতিটা দিন আমাকে ফলো করে এসে যেকোন ঘটনা বাঁধিয়ে আমাকে চড় দিবে সাথে অনেক অনেক অপমাণ করবে। আমি কি তার সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করেছি? নাহ্ তো! তার সাথে কি আগে কোথাও শত্রুতা ছিল...?
কিছুক্ষণ ভেবে দেখে ছেলেটার সাথে কোথাও দেখা বা পরিচয় হয়েছে কি? আবারও ভাবতে থাকে,,
কিছুক্ষণ ভেবে দেখে না কোথাও দেখা বা দূরের কথা ছায়া দেখি নাই কখন।
তাহলে কি ছেলেটা আমাকে চেনে? নাহ্ সে চিনবে কেমন করে , কখনও না!
আমি পাগল হয়ে যাব। সত্যি সত্যি পাগল হয়ে যাব। নাহলে ছেলেটা আমাকে পাগল করে ছেড়ে দিবে!
অঝরে কাঁদতে থাকে নিশাত। কখনও এভাবে কাঁদে নাই। আজ না কেঁদে পাড়ছেনা।
একটু পর দরজার শব্দে কাঁন্না থেমে যায়। চোখটা মুঁছে নিজেকে গুছিয়ে নেয়। যাতে কেউ বুঝতে না পারে।
দরজাটা খুলে দেখে নিশাতের মা। তখন নিশাতের মা বলে উঠলো,
---কিরে মা! এই সকালে দরজা বন্ধ করে কি করিস? কিছু হয়েছে? আর কলেজে যাবি না আজ।
---নিশ্চুপ,,,
.
নিশাত চুপ করে আছে। তার কাছে কোন উত্তর নেই। কি বলবে মাকে? আর কথা বললে বুঝতে পাড়বে কাঁদছে সে। এর চাইতে না কথা বলা ভালো।
নিশাতের নিরবতা দেখে মাজেদা বেগম নিশাতকে তার দিকে ঘুরিয়ে অবাক হয়ে যায়। নিশাতের গাল আবারও লাল হয়ে আছে। মনে হচ্ছে গাল ফেঁটে রক্ত বের হবে এখন। গালের মাঝে ৫ টা আঙ্গুলের ছাপ না। প্রায় অনেকগুলি আঙ্গুলের ছাপ বোঝা যাচ্ছে। কয়টা তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। মাজেদা বেগম রেগে গিয়ে বলে উঠলো,
---তোর গালে একি অবস্থা করেছে? কে চড় মেরেছে আবার বল?
.
নিশাত নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কি বলবে, না চেনে ছেলেটাকে বা তার নাম জানে!
নিশাতের নিরবতা দেখে ধমক দিয়ে বলে উঠলো,
---কি রে তোকে কি জিজ্ঞেস করছি। কথা বলবি নাকি তোর বাবাকে ফোন করে বলবো।
.
কথাটা শুনে নিশাত মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিল ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে । মা আর কি জিজ্ঞেস করবে। মেয়ের কাঁন্না দেখে নিজেও কেঁদে দেয়। তাদের খুব আদরের সন্তান নিশাত। কখন নিশাতের গায়ে হাত তোলা তো দূরের কথা। কখন ধমক দেই নি।
মাজেদা বেগম নিজেকে সামলে নিয়ে মেয়েকে বললো,
---কি হয়েছে মা? আমাকে বল। এমন করে কাঁদতেছিস কেনো? বল আমাকে!
.
নিশাত মাকে ধরে আরও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকে।
---আরে পাগলি কাঁদছিস কেনো! আমাকে বল কি হয়েছে?
---আম্মু তুমি বাসাটা চেন্জ কর। আমি আর এই এলাকায় থাকতে চাই না। যত কষ্ট হোক আমি কষ্ট সহ্য করে ভার্সিটিতে আসবো। প্লিজ আম্মু বাসাটা চেন্জ কর।
---ঠিক আছে বাবা,,, তোর আব্বুকে বলে বাসাটা চেন্জ করে নিব। কিন্তু, কি হয়েছে সেটা তো বলবি।
---যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চেন্জ কর। আমি আর এখানে, আর এই এলাকায় থাকতে চাই না।
---আরে কাঁন্না করছিস কেনো। ঠিক আছে আমরা চেন্জ করে নিব বাসা। কি হয়েছে, আমাকে সব খুঁলে বল। সব সমস্যা সমাধান করে দেব। দেখবি অনেক হালকা লাগবে।
---ওই ছেলেটা আমাকে প্রতিদিন কোন না কোন ঘটনা নিয়ে আমাকে চড় মারে। আমাকে অনেক কথা শুনিয়ে দেই। (ফুঁপিয়ে কেঁদে কেঁদে)
---কোন ছেলে? যে তোকে চড় মেরেছিল।
---হুমম। (মাথা নাড়িয়ে)
---ছেলেটাকে চিনিস? নাম বা তার বাসা কোথায়? কি করে? সব কি জানিস?
---না আম্মু,, তার নাম বা বাসা কোথায় কিচ্ছু জানি না। কিন্তু, প্রতিদিন আমার সাথে দেখা হবে। আর তখনি কিছুনা কিছু ঘটে যাবে আর ওমনি ঠাস করে গালের মধ্যে মেরে দেয়।
---ছেলেটাকে দেখলে কি চিনবি?
---হুম।
---আরে পাগলি কাঁদিস কেনো। সব ঠিক হয়ে যাবে। শুধু আমাকে দেখিয়ে দিবি। তারপর আমি সব টুকু দেখে নিব।
---আচ্ছা,,,
---আবারও কাঁদিস,,,
---আব্বুকে কিছু বলবে না তো। (বাঁচ্চা ছেলেদের মত)
---ঠিক আছে বলবো না। এখন ফ্রেশ হয়ে খাবি চল,,,
---না আম্মু আমার ক্ষুধা নেই।
---আমি খাওয়া-এ দিব।
---আম্মু ,,
---চুপচাপ ফ্রেশ হয়ে টেবিলে আসো বলছি,,,
.
কথাটা বলে নিশাতের মা মাজেদা বেগম চলে গেলো।
নিশাত ওয়াশ রুমে চলে যায়,,,
.
এদিকে ফারহান এসে শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে শাওয়ারের নিচে বসে আছে।
কতটাইম বসে আসে সে নিজেও জানে না। ফারহান এভাবে শাস্তি বেঁছে নিয়েছে।
না যাবে মেয়েটার কাছে, না মেয়েটার সাথে ক্ষমা চাবে। কোন দরকার নেই ক্ষমা চাওয়ার।
রুমে থেকে শব্দ ভেসে আসছে হালকা হালকা। ওয়াশরুমের দরজা বন্ধ। কে ডাকছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না। তাই সেটার দিকে লক্ষ না করে বসে থাকে শাওয়ারের নিচে।
চোখটা লাল টকটকে ধারণ করেছে। তবুও শাওয়ার বন্ধ করছেনা। এভাবে কি ভুলের ক্ষমা হয়? হ্যা এটাও হতে পারে। কিন্তু সে বুঝবে কেমনে যে, সে নিজে নিজে ভুলের শাস্তি ভোগ করছে!
একটুপর ওয়াশরুমের দরজায় নক করার শব্দ হয়। তাকায় ওয়াশরুমের দরজার দিকে। কে তার রুমে? মা নয় তো? নাকি, চৈতী? যেই হোক তাতে কি। আজ এভাবে নিজেকে শেষ করে দিব।
.
একটু পর শরীরটা ঠান্ডা হয়ে আসছে ফারহানের। চোখটা ঝাপসা ঝাপসা দেখছে ফারহান। মনে হচ্ছে প্রচন্ড শীত তার শরীরে ভর করতেছে।
উঠতে গিয়ে উঠতে পাড়ল না ফারহান। নখ গুলি সোঁজা হচ্ছে না । আবার পা' টা অভস হয়ে গেছে নাকি। সোঁজা হয়ে দাঁড়াতে পাড়ছেনা। অনেক চেষ্টা করছে ফারহান। কিন্তু, উঠতে পাড়ছে না। আবার হাতটা মুঠ পাকাতে পারছেনা। মাথা প্রচন্ড ভার ভার লাগছে।
একটু আওয়াজ করতে চেষ্টা করলে সেটা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না।
আর বসে থাকতে পাড়ছেনা ফারহান। প্রচন্ড শীতে কাঁপছে। শাওয়ার বন্ধ করবে সেই টুকু শক্তি নেই মনে হচ্ছে।
শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে অনেক কষ্টে উঠে দাঁড়ালো ফারহান। শাওয়ারটা বন্ধ করতে হাত বাড়ালো,,,,
.
মাজেদা বেগম ফোন নিয়ে নিশাতের রুমে চলে গেলো।
---নিশাত তোর আংকেল ফোন দিয়েছে তোর সাথে কথা বলবে।
---আমার ভালো লাগছেনা আম্মু। আংকেলকে বল নিশাতের প্রচন্ড মাথা করছে। তাই পরে আমি ফোন দিয়ে কথা বলবো।
---একটু কথা বল।
---দাও,,,
.
ফোনটা নিয়ে নিশাত কথা বলছে।
---হ্যালো,,, আংকেল।
---কেমন আছিস মা?
---এই তো আল্লাহুর রহমতে ভালো আছি। তুমি ও বড়আম্মু কেমন আছে?
---আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভালো রেখেছে। তোর নাকি ওখানে ভালো লাগছেনা? এক কাজ কর তুই আমাদের এখানে চলে আয়। অনেকদিন ধরে দেখি না তোকে। ভার্সিটিতে ভর্তির পর আর তোর চাঁদ মুখটা দেখা হয়নি। আয় আমাদের কাছে।
.
কথাটা শুনে নিশাত মায়ের দিকে তাকালো। মাজেদা বেগম বুঝতে পেয়ে মুচকি হেসো দিলো। নিশাত বুঝতে পাড়লো কথাটা বড়আম্মুকে বলেছে।
---না আংকেল, আমার ভার্সিটি আছে। আমি যেতে পাড়বো না।
---এই নি তোর বড়আম্মু কথা বলবে।
---দাও,,
.
---নিশাত মা আমার কেমন আছিস? (নিশাতের বড়আম্মু)
---আল্লাহুর রহমতে ভালো আছি। তুমি কেমন আছো বড়আম্মু?
---আমিও আল্লাহুর রহমতে ভালো আছি... ছোটভাবি বললো তোর নাকি ভালো লাগছেনা ওখানে। এক কাজ কর তুই না আমাদের কাছে চলে আয়।
---বড়আম্মু আমি ঠিক আছি।
---কোন কথা বলবিনা তুই। সন্ধ্যার সময় পৌরসভা থেকে আসার সময় তোর আংকেল তোকে নিয়ে আসবে।
---বড়আম্মু...
---আমি কোন কথা শুনতে চাই না। আমি জানি তুই আসবি ব্যস।
---ঠিক আছে। কি আর করা। রাণীর হুকুম করেছে তাই আর থাকা যাবে।
---হাহাহা,, লক্ষি মা আমার। ছোট ভাবির কাছে দে কথা বলি।
.
নিশাত ফোনটা মায়ের দিকে দিয়ে বলে,
---এই নাও তোমার সাথে কথা বলবে।
---কে?
---বড়আম্মু।
---দে,,,এভাবে তাকিয়ে থাকিস কেনো। মুখ ফোঁসকে বের হয়ে গেছে।
---যাও কথা বল,,,
---হাহাহা,,,
---হাসবানা না আম্মু,,,(রেগে)
---আচ্ছা, আচ্ছা, স্যরি,,,(হেসে হেসে)
"নিশাত চোখটা বড় বড় করে তাকালো মায়ের দিকে।
মাজেদা বেগম ফোনে কথা বলতে বলতে রুম থেকে চলে গেলো।
---হ্যালো,, ভাবি,, (নিশাতের বড়আম্মু)
---ভাবি কেমন আছেন,,? (নিশাতের মা)
---আল্লাহ্ তায়ালা রহমতে ভালো আছি,,, তুমি কেমন আছো?
---আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো,,,
---নিশাতকে বকেছো নাকি? নিশাত যে রেগেছে ,,!
---বড়ভাইকে কথাটা বলেছি তাই রেগে ফায়ারিং। তোমার দেবরের জন্য কি বকতে পারি,,,
---একদম বকবানা নিশাতকে,,,ছোট মেয়ে একটা,,
---তুমিও তোমার দেবরের মত,,,
---তুমি বুঝবানা ভাবি। আমি বুঝি কতটা কষ্ট,,,
---ভাবি আবার শুরু করলে তুমি,,,,
.
এভাবে দুজনে কথা বলতে থাকে ফোনে,,,
.
এদিকে চৈতী মাকে বলছে,
---আম্মু ভাইয়া তো রুমে নেই।
---কি বলিস তুই । আমি রুমে ঢুকতে দেখেছি। আর তো বের হয়নি। ছাঁদে গিয়েছিলি?
---হ্যা আম্মু ছাঁদে গিয়েছিলাম। ছাঁদে নাই ভাইয়া।
---আচ্ছা ফারহানের রুমে চল তো গিয়ে দেখি।
---চল আম্মু,,,
.
চৈতী আর চৈতীর মা মমতা রহমান ফারহানের রুমে চলে গেলো।
.
রুমের ভেতর গিয়ে দুজনে দেখে, কোথাও ফারহান নেই।
বারান্দায় গিয়ে দেখে। সেখানেও নেই ফারহান। মমতা রহমান মনে মনে বলতে থাকে "ছেলেটা গেলো কোথায়?
.
মমতা বেগম বাথরুমের দরজার কাছে গিয়ে ডাক দিল। "ফারহান,,,এই ফারহান তুই কি বাথরুমে। কিন্তু কোন শব্দ নেই।
---আম্মু দেখছো কোথাও নেই।
---কোথাও তো নেই। গেলো কোথায়?
---জানি না আম্মু।
---ওয়াশ রুমে দেখেছিস চৈতী...?
---না,,দরজা ভেতর থেকে বন্ধ।
---আচ্ছা চলতো গিয়ে দেখি তো,,,
.
চৈতী আর মমতা রহমান ওয়াশরুমের কাছে চলে গেলো।
দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। কয়েকবার দরজায় টোকা দিয়ে ডাক দিল। "ফারহান,,, বাবা ফারহান।
কোন শব্দ নেই। আবার ডাক দিল,,, "ফারহান তুই কি ভেতরে আছিস! এই ফারহান।
---আম্মু দরজায় কান দিয়ে দেখ। শাওয়ার ছাড়া আছে। তাহলে ভাইয়া ভেতরে আছে,,,!
---হ্যা তাই তো,,, (দরজায় কান লাগিয়ে),,, আমার খুব ভয় করছে চৈতী। ফারহান তো কখন চুপ করে থাকে না। আর ফারহান তো এতক্ষণ গোসল করে না। আমার মনটা কেমন করছে।কিছু একটা হয়েছে ভেতরে। (কেঁদে কেঁদে)
---আম্মু খামাক্ষা টেনশন করছো। ভাইয়ার কিচ্ছু হয় নি।
---না আমার মন বলছে ফারহানের কিছু হয়েছে,,, তুই দারোয়ানেকে ডেকে আন। দরজা ভাঙ্গতে হবে।
---যাচ্ছি আম্মু। তুমি কাঁন্না কর না।
---তুই তাড়াতাড়ি যা চৈতী।
---যাচ্ছি আম্মু,,
"চৈতী দৌড়ে দারোয়ানের কাছে চলে গেলো।
.
মমতা বেগম কাঁন্না করছে আর দরজায় ধাক্কা দিয়ে ফারহান, ফারহান বলে ডাক দিচ্ছে।
.
একটু পর চৈতী আর জব্বার আলি (দারওয়ান) চলে এলো রুমে।
জব্বারকে দেখে মমতা রহমান বলে উঠলো,
---জব্বার ভাই আপনি দরজা ভাংগার ব্যবস্থা করেন।
---আচ্চা ভাবি। আমি চেষ্টা হরতাচি। আমনে শান্ত হোন। আমি থাকতে কোন টিনশন কইরেন না।
"জব্বার আলি দরজা ধাক্কা দিচ্ছে। কিন্তু সেটা খুলছে না বরং ভাংছে না।
.
অনেক চেষ্টা করার পড় দরজা ভেংগে ফেলে।
ওয়াশরুমের ভেতরে ঢুকে চৈতী "ভাইয়া,,, আর মমতা রহমান ফারহান বলে চিৎকার দেয়,,,
.
.
.
.
চলবে,,,,
Wednesday, August 21, 2019
Home
/
Love Story
/
Romance
/
বাড়িওয়ালার ছেলের সাথে প্রেম (৪র্থ পর্ব)
/
বাড়িওয়ালার ছেলের সাথে প্রেম (৪র্থ পর্ব)
বাড়িওয়ালার ছেলের সাথে প্রেম (৪র্থ পর্ব)
Tags
# Love Story
# Romance
Golpian
Convey the Reality.
24/7 All time Live
বাড়িওয়ালার ছেলের সাথে প্রেম (৪র্থ পর্ব)
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment